মুক্তিযুদ্ধকে জানো

[ সদা সত্য ইতিহাস অনুসন্ধানী একটি সংগঠন ]

নিউজ

২১শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:০০
সেগুন বাগিচা হাই স্কুল, ঢাকা

প্রধান অতিথি : লে: জে: এম. হারুন আর রশিদ, বীর প্রতীক

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব

২৪শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:০০
ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ্ বিদ্যালয়

প্রধান অতিথি : মে: জে: মাসুদুর রহমান, বীর প্রতীক

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব

আমাদের পরিচিতি

নতুন প্রজন্ম তথা ছাত্র, ছাত্রী, যুবক যুবতীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে সম্পৃক্ত করার লক্ষে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসের ধারণা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে " মুক্তিযুদ্ধকে জানো " নামক সংগঠনটির জন্ম ......বিস্তারিত পরিচিতি

প্রশংসাপত্র

"মুক্তিযুদ্ধকে জানো" সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ফেনী জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি সহ মুক্তিযুদ্দের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানের কাজ শুরু করেছে | যাহা লক্ষনীয় ও বিরল দৃষ্টান্ত | কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমি নিজেও উপস্থিত হয়ে অবলোকন করেছি যে, শুধু ফেনী জেলায় নয় সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান সহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভিত্তিক কুইজ, চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলে তরুণ প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীরা মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার সুযোগ হবে এবং সংগঠনটি তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করার সুযোগ পাবে

তাই "মুক্তিযুদ্ধকে জানো" সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সারা বাংলাদেশে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে নিবন্ধন দেয়ার জন্য জোর সুপারিশ দেয়া গেল

আমি "মুক্তিযুদ্ধকে জানো" সংগঠনটির সাফল্য কামনা করি

আলহাজ্জ মীর আব্দুল মান্নান
কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ফেনী জেলা ইউনিট কমান্ড, ফেনী

প্রতিষ্ঠাতাবৃন্দের কথা

১৯৭১

সালে এক সশস্ত্র মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে যা আজ প্রায় ৪৪ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে | বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু বিভ্রান্তিপূর্ণ বক্তব্য রাজনৈতিক ও বেক্তি পর্যায়ে অনেকেই বলে থাকে | যা নতুন প্রজন্মের মাঝে নানা প্রশ্নের অবতরণা হয়েছে এবং হছে |

পাকিস্থান আন্দোলনের যুবনেতা শেখ মুজিবুর রহমান শুধু তার সাংগঠনিক শক্তি, মেধা, গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, কৌশল এবং জনগনের আস্থা অর্জন করে ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জাতিকে স্বাধীনতামুখী করে তুলেছেন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে টেনে নিয়ে এসেছেন এবং জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভুষিত হলেন

আমাদের চারটি মূলমন্ত্র:

দেশপ্রেম
সত্য
শান্তি
প্রগতি
আমাদের গঠনতন্ত্র দেখুন

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে বাংলাদেশের একক নেতায় পরিনত হলেন ও ২৬শে মার্চ এর প্রথম প্রহরে তিনি কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এবং কিভাবে দীর্ঘ ৯ মাসে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধমে দেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস আজ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপস্থিত | এই অনুপস্থিতির সুযোগে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে সঠিক ইতিহাসকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পেয়েছে বলে মনে করে অত্র সংগঠন |

তাই নতুন প্রজন্ম তথা ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতীদের মধ্যে মুক্তযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসের ধারণা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে "মুক্তিযুদ্ধকে জানো" নামক সংগঠনটির জন্ম হয় ২৬শে মার্চ, ২০১৪, চট্টগ্রামের ১৭০১, শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদে |

"মুক্তিযুদ্ধকে জানো" নামক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হায়দার দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধরে মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক সহ নানা পেশার সাথে জড়িত এমন লোকজনের সঙ্গে এবেপারে আলাপ আলোচনা ও মত বিনিময় করে সংগঠনটির নাম "মুক্তিযুদ্ধকে জানো", মূলমন্ত্র দেশপ্রেম সত্য শান্তি প্রগতি এবং সদা সত্য ইতিহাস অনুসন্ধানী একটি সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয় এবং দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ করতে এ সংগঠন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

সহযোগিতায়

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার